Anurager chhowa serial writing see new update on 24 November
দীপার পিছু নিল মিসকা!
বন্ধুরা জনপ্রিয় ধারাবাহিক অনুরাগের ছোঁয়া দেখতে দেখতে অনেক দূর এগিয়েছে দর্শকদের মনেও জায়গা নিয়েছে। একের পর এক ধমাকা টুইস্টে ভরপুর। দীপার সংসার সন্তান ইত্যাদি নিয়েই ধারাবাহিকটি এগুচ্ছে। এই জেনারেশনের সবার মন জয় করে নিয়েছে। নেটিজেনরা তো বলছেই অনুরগের ছোয়া দেখে আমাদের বাস্তব জীবনে ধৈর্য বারছে।বন্ধুরা নাটক থেকে যদি বাস্তব জীবনে অভিজ্ঞতা অর্জন করে আমরা শিক্ষা নিতে পারি সেটি বোধ হয় আমাদের ভালোর জন্যই। জীবন থেকেই মানুষ গল্প নেয়।জীবনের বাহিরে গল্প নয়। সামন্য ভুল বুঝাবুঝি আমাদের পুরো জীবনকে নষ্ট করে দেয়। আপনজনের দূরের করে দেয়।
অনুরাগের ছোঁয়ায় আমরা দেখতে পাই আমাদের সুন্দরী ভিলেন মিসকার এন্টি। সারাটা জীবন মিসকার একটাই কাজ সূর্য দীপার সংসার ভাঙা। সে এই কাজটা ঠিক ভাবেই করতে , সূর্য দীপা এখনো কাছাকাছি আসেনি তবুও সে তাদের পেছনে লেগে আছে। পুরো একটা জীবন সে সূর্য দীপার সংসার ভাঙার কাজে ব্যয় করেছে। সে এসেই ডিটেকটিভ এর মতো সূর্যর ডিটেইলস, সাক্য সরকারের ডিটেইলস বের করতে শুরু করে। এতো দিনে যে সন্দেহ কেউ করেনি মিসকা এসেই সবাইকেই টার্গেট করছ, শুধু নাম গুলির জন্য তার খটকা লাগে। সে তো ধরেই নিয়েছে জয়ীই রুপা। এদিক দীপাকে ফলো করতে করতে এসে গেছে বিগ বং ক্যাফে তে। স্টাফরা খাবার অর্ডার নেয়। দীপা সেটি রান্না করতে থাকে। সাক্যর সাথে বিভিন্ন ভাবে কথা নেওয়ার চেষ্টা করে মিসকা। তবে সারাসরি দীপার সাথে দেখা করতে চায় না, কারন সবাই তাকে টার্গেট না করলেও দীপা তাকে সিলেক্ট করে রাখবেই তাতে তার কাজ কোনটাই এগুবে না বলে সে আর সামনে যেতে চায় না। হঠাৎ করেই চুলোই আগুন লেগে যায় আর সবাই সেটা বন্ধ করতে ব্যস্ত হয়ে পরে।
জয় তো মুম্বাই এসে ফেসে গেছে। টাকা কোন ভাবেই শোধ করতে পারছে না, রাস্তার মাঝে জয়কে গাড়িতে তুলে হুমকি দিতে থাকে।কিভাবে এই বিপদ থেকে রক্ষা পাবে সে নিজেও জানে না সব কিছু যেন এলো মেলো হয়ে গেছে। নিজের ভুলের জন্য তার এতো অধপতন হচ্ছে নিজের ইগোর জন্য তার সব শেষ হতে চললো। ইগো মানুষকে শেষ করে দেয়। আমাদের পুরো জীবনকে কাঠগরায় দার করায় ইগো।
জয়ী হোস্টেলে চলে যেতে চাইলে সই তার সাথে রাগ করে,কারন মেয়েটা তাদের সবার মন জয় করেছে, পরিবারের। জয়ীকে ওরা এতোটা আপন করেছে যে নিজের পরিবারের চেয়েও বেশি। জয়ী বর্তামান স্কুলেই থেকে যায়,দেখা হয় সোনার সাথে। জয়ী জানতে চায় মা সম্পর্কে তার এতো বাজে ধারনা কেন। সোনা জানায় সে কল্পনাতে মাকে ভাবে।কিন্তু জয়ীর বিশ্বাস হয় না। সোনা জানায় সে চায় তার বাবা চারুকে বিয়ে করুক। অলির এমন কথা সে বুঝে না,জয়ীকে বলে সে যদি তার কদিন তাদের বাড়িতে থাকে তাহলে সে তার অতীত সম্পর্কে বলবে।জয়ীও রাজি হয়ে যায় এর পর কি হয়েছিল এসব সে জানতে চায়। কিন্তু অলি বলে চারু খুব ভালো তুমি চারুর সাথে খারাপ ব্যবহার করো না। কিন্তু জয়ী চারুকে কষ্ট দিতে চায় না নিজের মায়ের জায়গাটা শুধু সে কাউকে বসাতে চায় না।নিজের বাবাকে আরো ঘৃনা করতে থাকে জয়ী। চারুর সাথে বিয়েটা হতে দেয়া যাবে না। তাই সে অলির সাথে তাদের বাসায় যেতে রাজী হয়।নিজের মাকে নিয়ে অলির কেন সমস্যা সে এটাই বুঝতে চায়। জয়ী দেখতে পায় না বলে তার সব বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু সে পুরো পরিাবরকে হারিয়ে অনেক সমস্যার মাঝে আছে। নিজের পরিবার চোখ সব হারিয়েছে জয়ী।এখন নিজের মাও আসে পাশে তবুও সে দেখতে পাচ্ছে না। এর চেয়ে কষ্ট মনে হয় পৃথিবীর বুকে আর নেই আর নিয়তির কি খেলা বার বার এক হয়েও হতে পারছে না।
দীপের বিপদ!
গার্ডেনে খেলছিল দীপ,কিন্তু সে সময় গুন্ডারা আসে দীপকে তুলে নিয়ে যেতে, দীপা সেটা দেখতে পেয়ে দীপকে বাচায় তাদের হাত থেকে।বাড়িতে এসে জয়কে প্রশ্ন করে এতো সমস্যা কেন হয় কিন্তু জয় এতোটা উত্তেজিত থাকে যে দীপার সাথে তর্ক করতে থাকে। দীপা জয়ের এমন অধপতন সহ্য করতে না পেরে জয়কে থাপ্পর বসায়। আসলে ছোটরা বিগরে গেলে বড়রা উপায় না পেয়ে এভাবেই শাসন করে। নিজের বড় বোনের মতো জয়কে ভালোবাসে তাই জয়ের কি সমস্যা সে সেসব জানতে চায়। তাই দীপের সামনেই তাকে শাসন করে।
কারন আজ দীপের কিছু হলে সবার অবস্থায় খারাপ হতে পারত আজ যেমন জয় ফেসে আছে,কাল তেমন দীপকে তারা নিয়ে গেলে সবাই অনেক বড় সমস্যায় থাকত। তাই তো দীপা জয়কে সাবধান করছে।কিন্তু জয় এতোটাই বিগরে গেছে যে সে হিতাহিত জ্যান ভুলেই গেছে, তার ওপর আছে কাকিয়া তিনি তো সব সব কিছুতে সবার আগে দীপার দোষটাই আগে পান তাই তো জয়ের সাথে এই ভাবে কথা বলার জন্য দীপাকেই দোষী করছে। আমাদের জীবনে এনম কিছু সময় আসে যে যতই একটা ব্যাক্তি সংসারের জন্য ভালো করুক না কেন ততোই তার ওপর দোষ এসে পরে। চাইলেও তার কথা কেউ বুঝতে চায় না। জীবন আমাদের সত্যি এমন খেলা দেখায় যে বের হওয়ার পথ থাকে না।
চারুর এনগেজমেন্ট ! সূর্যর সাথে বিয়ে ঠিক করতে চারুর বাবা মা আসছে, চারুও চায় না এই বিয়েটা হোক সে চায় দীপার সাথেই যেন তার মিলটা হয় কিন্তু সে তার বাবা মাকেই কিভাবে বা বলবে তার বিয়েটা ভেঙে যেতে। আবার অলিও তো চারুকে চায়।কিন্তু সে তো জানে সূর্য শুধু দীপাকেই ভালোবাসে। এতো সব দেখেও চারু এই বিয়েটা করতে চায় না। তাই সে ছুটে আসে দীপার কাছে। সে কি করে তার বাবা মাকে বলবে এই বিয়েটা হবে না। তার তো মানা করারও উপায় নেই। কিন্তু সে কি করবে তার জানা নেই। এদিকে সে সূর্যকে ভালোবাসে কিন্তু সূর্য কখনো চারুকে ভালোবাসে নি সে তো সব সময় দীপাকেই ভালোবেসেছে।
মারা গেলেন চারুর বাবা মা!
একি মারা গেলেন চারুর মা বাবা, চারুর এনগেজমেন্টের জন্য আসছিল তারা বাবা মা কিন্তু আসার পথে মারা গেছে তার বাবা মা। এটা শুনে চারু ভেঙে পরলো,চারুকে বাড়িতে নিয়ে আসা হলো।
পৃথিবীতে স্বামীর ভাগ কাউকেই দিতে চায় না দীপাও হয়তো পারবে না কিন্তু এতোটাই সরল যে সে সূর্যকে বলছে চারুকে বিয়ে করতে,কারন এখন আর চারুর কেউ নেই,সোনা আর সূর্যও যদি তাদের থেকে দূরে চলে যায় তাহলে সে একা হয়ে যাবে। ভালোবাসা মনে হয় এমনই,চারুর সাথো দীপার ভালো সম্পর্ক বন্ধুর মতো মনে করে এতো দিন সোনাকে সামলেছে তাই তো দীপা চায় সোনা যাতে ভালো থাকে তাই সে সূর্যকে বিয়ে করতে বলে,কিন্তু সূর্য কখনোই চারুকে ভালোবাসে নি।নিজের মেয়ের ভালোর জন্য সে পরিাবার ছেড়েছে। ভালোবাসার মানুষের সাথে সম্পর্ক বাদ দিয়ে সে দূরে চলে এসেছে। তবুও জীবন তাদের বার বার এক করে দিচ্ছে। কিন্তু নিয়তি আর পরিস্থিতি তাদের বার বার দূরে করে দিচ্ছে। দুজন ভালোবেসেও কাছে থাকতে পারছে না। দূরে থাকতে হচ্ছে সত্যি জীবন এতো কঠিন কেন। জীবন মানুষকে কখনো কঠিন কখনো মোমের মতো বানিয়ে দেয়।