Dui shalik serial writing see new update on 20 November
দুই শালিক সিরিয়াল নিয়ে আজকের আপডেট,
গৌড়ব বিয়ে করলো ঝিলিকে!
বন্ধুরা আজকের ধামাক পর্বে আমরা দেখি ঝিলিকের উপর প্রতিশোধ নিতে গৌড়ব বিয়েতে রাজী হয়ে গেলো,ঝিলিককে যা নায় তা বলতে থাকলো।মায়ের কথা মতো গৌড়ব রাজি হলো ঝিলিককে বিয়ে করতে। আখির বিয়ে ভাঙতে এসে সে নিজেই ফেসে গেছে। কালিপদর সাথে বিয়ে ভাঙ্গার জন্য এখন গৌড়বের সাথে বিয়ে হচ্ছে। ঝিলিকে সিদুর পড়াবে এমন সময় পিআরকে এসে যায়।সকলে ভয় পেয়ে যায়। পিআরকে এসে রাত ভিলেনি ধমকে বলে এই বিয়েটা কার সাথে হচ্ছে কে ঠিক করছে কালিবদর সাথে আঁখির বিয়ে হবে এখানে আমার ছেলে গৌড়ব কেন। সবাই ভশ পেয়ে যায় সকলেই তো পিআরকে কে ভশ পায়। গৌড়বের মা এসে বলে আমি ঠিক করেছি। আর শুরু হয় ধমকানো পিআরকে তো নিজের বউকে কখনোই সম্মান করেনি। আজও তার ব্যতিক্রম নয় তিনি গৌড়বের মাকে বকতে শুরু করলেন। তিনি তো বিয়ে ঠিক করেছেন কালিবদর সাথে। গৌড়বের মা বলার সাথেই বলতে থাকল আমার ছেলের বিয়ে ঠিক করার তুমি কে,তোমাকে তো বলিনি বিয়ে ঠিকতে। আঁখির জন্য কি করতে হবে সেটা আমি বুঝব। কিন্তু গৌড়বের মা বলে আমি গৌড়বের সাথে বিয়ে ঠিক করেছি এই বাড়ির মঙ্গলের জন্য আখি লগ্নভ্রষ্টা হয়ে যেত। আর এটা এই বাড়ির জন্য মঙ্গল নয়। পিআরকে বলে আখি লগ্নভ্রষ্টা হলে তোমার কি এই বাড়ির মঙ্গল আমি বুঝব। তখন গৌড়বের ঠাম্মি বলে, বাড়ির সব কিছু যদি ঠিক তুমি কর তাহলে বাকিরা কি করবে। বাড়ির মেয়েদের বিষয় তাদের বুঝতে দাও এখানে তুমি এসো না। বন্ধুরা পিআরকে কে বুঝায় সে তো এই বিয়ে মানবে না।
পিআরকে কি বিয়েটা হতে দিবে?
পিআরকে বলে এই বিয়ের পক্ষে কে কে,তখন বাকিরা বিয়ের পক্ষেই থাকে তখন,ঝিলিক মনে মনে বলে এই বিয়ে আমার গলার কাটার মতো,এই বিয়ে হলেও আমি আমার বর পাবনা। তখন দুটো দল ভাগ হয় পিআরকে দেখতে চায় এই বিয়ের পক্ষে কে কে,সবাই একে একে গৌড়বের মায়ের দলে আসে। সবাই পিআরকে বুঝাতে চায় তিনি যেহেতু এই বাড়িতে আখিকে নিয়ে এসেছে তাই আখিকে যেন মেনে নেওয়া যায়। সে কোন ভাবেই মানবে না। কিন্তু তখন ঠাম্মি বলে ঠিক আছে তুই যখন এই বিয়ে মানবিই না তখন তোকে আমরা এেই বিয়ের বাইরে রাখলাম। বলেই গৌড়বকে বিয়ের বাকি কাজ করতে করতে বলে। গৌড়ব আখিকে সিদুর পরাবেই তখন পিআরকে হাত তালি দিয়ে উঠে আর বলতে থাকে তুমি এটা করে নিজেকে শয়তান প্রমান করলে। তখন গৌড়ব বলে আমি তোমার সন্তান নই আমি আমার মায়ের ছলে আর মায়ের ছেলে বলেই এই বিয়েটা করছি আমি। ছোট বেলা থেকেই তার মায়ের প্রতি হওয়া অন্যায় দেখেছে গৌড়ব এবং ক মায়ের থেকে দূরেরও করে দিয়েছিলো তাকে। সে এসব কি করে ভুলবে এই বাড়িতে তো তার মায়ের কোন অধিকারয়ি নেই। সব কটা মানুষকে ভয় দেখিয়ে রেখেছে পিআরকে।নিজের বাবার পরিচয় দিতে তার লজ্জা করে। তাই তো বাবার কোন কথাই সে শুনতে চায় না। মায়ের কথা রাখতেই সে আজ এই বিয়েটা করছে কারন তার মায়ের কথার কোন মূল্য নেই এই বাড়িতে।
গৌড়ব কি মানবে বিয়েটা?
ঝিলিক তার পেয়ারে লালের সাথে বিয়ে হয়েও খুশি হতে পারছে না এর পর কি হবে?নিজের বাবা মায়ের সামনে কি করে যাবে, ঝিলিক মনে মনে যাকে চেয়েছিল সে তো তাকেই পেয়েছে।কিন্তু এর পর সবটা সামলাবে কি করে?ঝিলিকের মন খারাপ ভিষণ। কিন্তু পিআরকে কে দেখা যায় সে এই বিয়েটা সুখের হতে দিবে না। সবার জীবন সে নষ্ট করে দিবে বলে জানায়। এদিকে ঝিলিক কষ্ট পায় এটা ভেবে সে যাকে ভালোবাসে তার কাছে সে প্রতারক হয়ে গেছে। গৌড়ব উঠে যেতে নিলে তার মা বাধা দেয় বলে তুই একা উঠছিস কেন তদের দুজনকে একইসাথে যেতে হবে তখন গৌরব বলে মা তুমি আমাকে এসবে জোর করো না তোমার কথা রাখতেই এই বিয়ে করেছ তাই বলে আমি ওকে স্ত্রী র অধিকার দিতে পারব না। এই বলে সে এখান থেকে চলে যায়। ঝিলিক তো খুবই কষ্ট পায় সে বলে আমি যেদিন আপনর ভালোবাসা পাব সেদিন আরেকবার আপনার কাছ থেকে সিদুর পরব। ঝিলিক চায়নি কারো জীবন নষ্ট হয়ে যাক। ঝিলিক কল করে আখিকে সে জানায় গৌরবর সাথে তার বিয়েটা হয়ো গেছে। ঝিলিক বলে গৌড়ব এতো দিন যে ধারনা নিয়েছিল তার সম্পর্কে সব সত্যি হয়ে গেলো। সে একটয় জীদ থেকে এই বিয়েটা করেছে। আখি বলে এটা তো ভালো খবর গৌড়ব স্যার খুবই ভালোমানুষ। তুমি ভালো থাকবে।ঝিলিক তো ফেসে গেছে একটা বাজে অবস্থায় সে তার বাবা মাকে এখনো জানায়নি। গৌড়ব তো এই বিয়ে ৃন থেকে মানেই নি কখনো মানতে পারবে কিনা সেটা জানে না। আখিকে বাচাতে এসে সে নিজেই ফেসে যায়।
বিয়েতো হয় তার পচ্ছন্দের মানুষের সাথে কিন্তু এদিকে পিআরকে অন্য দিকে গৌড়ব এই দুজনের চিপায় পরে মেয়েটা শেষ হবে। আখি ঝিলিককে ভালো ভালো কিছু কথা বলে,সে তো ভালোবাসা কখনো পায়নি তাই ঝিলিক একজন ভালোমানুষ পেয়েছে সে এটাই খুশি। এদিকে আখির কোন জামা কাপর নেই তাই সে বলে দেবাকে যেন ফোন করে তার বাড়ি থেকে জামা কাপর আনতে,বন্ধুর আমরা দেখতে পাই গৌরবকে তার মা বলে এখন থেকে আখি তোর বউ তাই ওর ভালো মন্দ সব তোর দেখতে হবে আখি অন্ধকার আর তোর বাবাকে ভয় পায় তাই সব তোর খেয়াল রাখতে হয়। কিন্তু আমাদের জোড ঝিলিক তো একে এক।সে কি আর ুসব ভয় পায়। সে ছাতা বাড়ির কর্তার মুর্তির সামনে বকবক করতে থাকে,তখনি গৌড়ব এসে বলে তুমি নাকি অন্ধারে ভয় আর ুদিকে জুডো প্রাক্টিস করছ?