Geeta LLB serial writing see new update on 19 November

Admin
By -
0

Geeta LLB serial writing see new update on 19 November 

গীতা সিরিয়ালের ধামাকাদার পর্ব পড়ুন আজকের। 


গীতার বানানো পায়েশ খেলো অগ্নিজিৎ মুখার্জি! 

 


বন্ধুরা চলে এলাম গীতার নতুন আপডেট নিয়ে। আজকের পর্বে আমরা জানব অগ্নিজিৎ মুখার্জির বার্থডে সেলিব্রেশন কিভাবে হয়। বাড়ির বাচ্চারা   বাড়ি সাজিয়েছে এমন ছোট খাটো কেক পার্টির আয়োজন করেছে। অভিজিৎ মুখার্জিকে চোখ বন্ধ করে নিচে নিয়ে আসা হলো আমরা যখন বলবো যখন চোখ খুলবে। বাচ্চারা তাকে সামনে নিয়ে এসে তারপরে বলল এখন চোখ খুলতে পারো।  চোখ খুলে এসব দেখে তো অবাক হয়ে যায়।তিনি বলেন আমার বয়স হয়েছে এসব বাচ্চাদের খেলা আমাকে দিয়ে এসব হবে না। কিন্তু বাড়ির বাচ্চারা এবং মেয়েরা কেউ তার কথা শুনছে না সবাই বলল আামাদের কথা শুনতে হবে। 


এদিকে ভিডিও কল দিয়পছে মেহেক কল এবং তার বাবাকে দেখাচ্ছে,এটাই প্রথম বার তার পাপার জনৃম দিন আর সে কাছে নেই। কেক কাটার আগে  ব্রজমালা মুখার্জি  আসে এবং বলেন  আগে আমার বানানো পায়েস খাবি তারপর কেক কাটবি। তিনি ছেলেকে পায়েস খাইয়ে দেন নিজের হাতে। এরপর একটা কাগজ থেকে কিছু ফুল তার মাথায় ছোঁয়ায়। তখন অগ্নিজীব মুখার্জি বলে এসব কি কেন?  বাচ্চারা বলে এসব ঠাম্মি করেছে,  তোমার জন্য উপোস করে রেখেছে মানে পুজো দিয়েছে মায়ের এমন ভালোবাসা দিয়ে আবেগে আপ্লুত মুখার্জী এদিকে দেখা যায় মেহেক ভিডিও কলে বাবাকে দেখছে আর কাঁদছে সবাই তার পাশে আছে শুধু মেহেক ছাড়া বাবার জন্মদিনে কাছে না থাকতে পেরে তার কষ্ট হচ্ছে। গিতাও গেটের বাইরে থেকে তার শশুরকে কে দেখে যতো রেশারেশিই থাকুক না কেন সে চায় সবাই এক সাথে থাকতে৷ কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না,  অগ্নিজিৎ মুখার্জি কখনো ভাবতে পারেনি তার জন্মদিন এখাবে পালন হবে  তিনি আবেগে কান্না করে দিয়েছেন। 


ঠাম্মিকে সন্দেহ করলো সকলে! 




ব্রজমালা যখন নিচে আসেন তখন তার বাড়ির বউয়েরা বলে আপনি তো পায়েশ বানাননি তাহলে তাকে বানালো এই বাড়ি থেকে গতকাল কোন অনলাইন  ডেলিভারিও হয়নি তাহলে পায়েশটা কে বানালো?  ব্রজমালা তো এর কোন উত্তর দিতে চান না, তিনি এরিয়ে গেলে গিনি তাকে আটকায় , বলে বাড়িতে যদি কেউ পায়েশটা না বানায় তাহলে পায়েশটা কে বানাল,এর কোন উত্তর ব্রজমালা দেয় না গিনি এই বাড়ির জন্য কি করেছে সেটা জানতে চায়, তখন গিনি বলে আপনার আদরের বড় খোকা আর নাতী আমার সাথে যা করেছে তা কি আপনি জানেন না। এই বাড়ির সকলে আমাকে ঠকিয়েছে। আমার বোনের কাছ থেকে মেহেককে যেন আমি নিয়ে আসি সে জন্য আমাকে ব্যবহার করেছে । আমার সাথে অভিনয় করেছে সবাই। এরপরও কি কিছু করতে পারে বাড়ির সকলে দেখেছে। ঠাম্মিকে চাপে ফেললে স্বস্তিক এসে বলে ঠাম্মিকে কেন জেরা করা হচ্ছে? তুমি তো এই বাড়ির জন্য কখনো কিছু করো নি । তাহলে কাল তো সবাই অনুষ্ঠানে ছিলো তুমি কোথায় ছিলে, তুমি তো অনুষ্ঠানে আসোনি। তুমি ঠাম্মিকে জেরা করার কে? 


আর পায়েশটা গীতা বানিয়েছে। এটা শুনে তো বাড়ির সকলের চোখ চরাক,গিনি রেগে আগুন, সে সন্দেহ করেছে গিতাই এই কাজ করেছে। আর ঠাম্মিকে ধমকাতে থাকে এটা তার ছেলেকে বলে দিবে,যে পায়েশটা গীতা বানিয়েছে। মা ছেলের তো এতো সাপ বেজির সম্পর্ক ছিলো হঠাৎ এই আদর কোথা থেকে। তাদের মাঝে সব সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে চায় গিনি।গীতাকে কল করে বলে লুকিয়ে পাশেয় না খাইয়ে সামনে থেকে এসে খাইয়ে দিতে পারলি না, গীতা তো বলে গিয়েছিলাম আমি দেখে এসেছি।  এসব শুনে গিনি কি ঠিক থাকতে পারে, বাড়ির বউ হিসেবে দায়িত্ব দেখিয়ে গীতা যেন মেহেককে এই বাড়িতে দিয়ে যায়। গীতা যেন তার পেশাটাকে বড় করে না দেখে সেটাই গিনি বলছে। গীতা কি গিনি এই কথায় ভয় পাবে সে তো সত্যের পথে থাকার  মানুষ। কখনো ভুল পথে যাবে না।  সম্পর্কের চেয়ে সত্যি পথকে বড় করে দেখেছে গীতা। কিন্তু নিজের স্বামীর রাগ গিনি গীতার উপর দেখাচ্ছে। তার সংসার তো কখন জোড়োই লাগেনি তাহলে কি কি করে ভাঙল?


গীতার বাড়িতে কে এলো? 




মেহেক জানায় সে বিয়ে করলে অংকিতকেই করবে। গীতা তার কথায় সায়ে দেয় সে নিজে তাদের বিয়েটা দিতে চায়। মেহেকে এই বিষয়ে চিন্তা করতে মানা করে,তখনি পদ্ম এসে বলে দেখো কে এলো,গীতা দেখে অংকিত এসেছে। অংকিতকে গীতা আদর আপ্যায়নের কথা বলে,অংকিত বলে এই কেসে তার বাবা ফেসে যাবে না তো,সে তার বাবাকে বলবে যেন সত্যিটা বলে দেয়।


ভজনমিত্তির এলো গীতার সাথে কথা বলতে,গীতার সাথে কথা বলতে চায়। গীতা এসব চামচাদের সাথে কথা বলতে চায় না সত্যি সত্যের পথে থাকলে কেউ আর এসব ফাকা আওয়াজে ভয় না, বন্ধুরা আমরা দেখতে পাই গীতার চরিত্রটা এখানে খুবই স্ট্রং, তার জায়গাতে সে খুবই কঠিন,সত্যের পথে থাকবে এবং সত্যের সাথে সমযথা করবে এটাই তো নিয়ম আর মানুষের কাজ।


গীতা কে হুমকি দিল কে? 



আমরা দেখতে পাই ভজনমিত্তির এসে গীতা কে কেস টা ছারতে চলে আর শুরু হয় তার বাঘিনি আওয়াজ,সে সাত্যয়সিংকে কখনোই ছাড়বে না আর এই কেসটাও ছাড়বে না,হয় মরবে না হয় মারবে,সে তার সাথে কথা বলার একটা রেকর্ড ও করে নেয় এবং বাঘিনির মতো আওয়াজ করে এবং, গীতাকে দেখ যায় স্বস্তিকের সাথে,কিন্তু গীতার ওপর কেউ গুলি চালায়, বন্ধুরা এই কেসে কি গীতার প্রান চলে যাবে? এই কেসে গীতা চায় সে সবার পরিবারকে ঠিক করতে এতো সব চাপের পরও কি গীতা নিজের ভালোবাসার ঘর পরিবার মেহেকের বিয়ে দিতে পারবে?  

Post a Comment

0Comments

Post a Comment (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn more
Ok, Go it!