Geeta LLB serial writing see new update on 22 November
গীতা সিরিয়ালের আজকের এপি এর সম্পূর্ণ আপডেট দেখুন
গীতাকে মারতে পারবে কি শত্রুর পক্ষ!
কেউ লড়ে সত্যের পথে কেউ মিথ্যার পথে। সত্যের পথে চলতে গিয়ে কারো প্রানও হারায়,সত্যের পথটা কখনো মসৃণ হয় না। সব সময় কঠিন হয়, তাই তো জীবন এতো কঠিন, আর কঠিন বলেই হয়তো সুন্দর। জীবনকে সুন্দর ভাবে উপভোগ করাই হলো আদর্শ মানুষের কাজ। গীতার এল এল বি সিরিয়ালে আমরা তো তাই দেখতে পাই। সত্যের পথে চলে গেলে পথ কতোটা কঠিন হয়, তাই বলে কি আমাদের মিথ্যার পথ বেছে নিব? না কখনোই নয় সত্যের জয় সব সময় হয় সেটা তো আমরা জানি। গীতা সিরিয়ালের মাধ্যমে এই শিক্ষা দেওয়া হয়ছে যে সত্যের পথে যতোই কঠিন হোক না কেন জয় সত্যেরই হবে।
বন্ধুরা একটা কেসের জন্য সবার জীবন কেমন দূর্বিষহ হয়ে গেছে এতে চলে যেতে পারে গীতার প্রানও। বাবা মেয়ের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেছে। বাড়ির সকলে আলাদা হয়ে গেছে। কেউ কাউকে বুঝতেছে না সবাই সবাইকে ভুল বুঝতেছে,শুধু সবাইকে শক্ত থাকতে হবে যেন সবার জন্যই ভালো হয়। ধিমান সিং আসে গিতাকে কিনতে কিন্তু গীতাকে তো আর টাকা দিয়ে কেনা যায় না। সে তার পেশা ও আইনকে মূল্য দেয় সবার আগে। যার জন্য তার শত্রু অভাব নেই। তবে শত্রুকে মোকাবিলা করাই তার কাজ। ধিমান সিং গীতাকে হুমকি দিয়ে গেলেও গীতা উল্টো তাকে বেড়াল বানিয়ে চলে যায়। কিন্তু বিপত্তি হয় গীতাকে তারা এই কেস থেকে সরাবেই। গীতার প্রান সংসয় এর কথা বলে। গীতাকে মেরে ফেলার প্লান চলতে থাকে। যতো কিছুই ঘটে যাক না কেন গীতাকে কি এই কেস থেকে সারনো যাবে? এই কেসের শেষ সে দেখে ছাড়বেই অনেক গুলি সত্যি লুকিয়ে আছে এই কেসের সাথে। সব উদ্ধার না করে তো পিছু হটবে না। বোনের সাথে ভুল বুঝাবুঝি মেহেকের বিয়ে নিজের পরিবার সব জুরে আছে এই কেসে। ভীতুরা মাঝ পথে এসে সরে যায় তবে সেটা গীতার বেলাতে নয়। সাহসী বলেই সে একা লড়াই করে যাচ্ছে। আমাদের দেশে যদি সত্যিকারে এমন উকিল থাকে তাহলে তো দেশ ও জাতির উন্নতও হবে।এবং অসহায় মানুষ গুলি নিজের বিচার পাবে।
গীতার ওপর হামলা !
পরিবারের সূত্র ধরে নিজের পেশার উপর কখনো কখনো চাপ আসে। নিজের ভালোবাসার মানুষদের কাছে যাওয়া যায় না। কখনো কখনো দূরত্বকেই মানিয়ে নিতে হয়। মেনে নিতে হয় সব কিছু, অনেক সময় গোটা পরিবারকে ভালো রাখতে আমাদের নিজের মানুষদের সাথের সাথে দূরত্ব বজায় চলতে হয়। এরকম টা গীতার ক্ষত্রেও হয়েছে পরিবারের সমস্যা দূর করতে স্বামীর সাথে দূরত্ব তৈরি করতে হয়েছে। চাইলে দুটো মন এক হতে পারছে না কতো বাধা বিপত্তি। তাই তো বাহিরে দুজন দেখা করতে এসেছে। দুজন ভালোবাসার মানুষ যখন কাছে আসে তখন হয়তো মুখে কিছু বলতে হয় না।আপনা আপনি ভালোবাসা প্রকাশ পায়। আর কিছু মানুষ আছে কারো ভালো সহ্য করতে পারে না, গীতার উপর অপরিচিত একজন সুট করে। স্বাত্তিক সেটা বুঝতে পেরে গীতাকে ফেলে দেয় যাতে গুলি না লাগে। আচমকা এরকম ঘটনা ঘটার জন্য স্বস্তিক ভয় পেয়ে যায়। কে এমন হামলা করতে পারে।
ধিমান সিং লোক পাঠালো গীতাকে মারতে!
এবারের মতোও ফেইল হয়ে গেলো তাদের প্লান। গীতাকে মারার জন্য লোক পাঠায় কিন্তু স্বস্তিক দেখে ফেলে,এর পর আসে ধিমান সিং এর কল,বুঝতে চেষ্টা করে মিশন সফল হয়েছে কিনা। কিন্তু গীতার গর্জনে ধিমান সিং ঘাবরে যায়। বড় মাপের পিলিটিসিয়ান হয়েও গীতার কথার কাছে সে কিছুই না,গীতাকে মারার জন্য যতোই লোক পাঠাক না কেন কোন লাভ নেই। গীতার বিরুদ্ধে অগ্নিজিৎ মুখার্জিকে লাগিয়ে দিয়েছে,কোন বড় একটা চাল তো ধিমান সিং দিয়েছেই।
গীতাকে শেষ করতে এবার শত্রুরা বেছে নিল অন্য পথ " গীতাকে যে আইনের মার পেচে থামানো যাবে না সেটা ভালো করেই জানে তারা। তাই তো তাকে থামাতে তার দূর্বল জায়গায় হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। সব মেয়েদের দূর্বল জায়গা হয় তাদের পরিবার। আর শত্রুরা চেষ্টা করে দূর্বল জায়গাতেই আঘাত করতে। পলিটিক্স যারা করে তাদের এই বিষয়টা খুব ভালো করেই জানে,তাই তো গীতার বাবাকেই তাদের আসল টার্গেট হিসেবে রাখে। গীতার বাবার অবস্থা খারাপ করে দেওয়ার চেষ্টা করতে চায় যাতে গীতা নিজের বাবার জন্যও হলেও এই কেস থেকে সরে দারায়। গনেশ গাঙ্গুলির উপর এমন ভাবে আক্রমণ করতে চায় যে যাতে গীতা নিজেকেই দায়ী করে। বাবার জন্য হলেও সে যেন সরে দারায়।তাই তো শয়তানেরা গনেশ গাঙ্গুলির ওপর হামলা করতে চায়।
গীতাকে দমাতে বস্ততে গনেশ গাঙ্গুলির ওপর হামলা!
কিরণ ব্যনার্জি ও তার ছেলে এবং গুন্ডারা আসে বস্তিতে,এসেই গনেশ গাঙ্গুলিকে খুজতে থাকে। মানুষ যখন অমানুষে পরিনত হয় তখন বস্তর অসহায় মানুষের সাথেই পাঙ্গা নেয় কারন তারা জানে এদের ওপর আক্রমণ করলেই মানুষ থেমে যাবে লড়াই করা বন্ধ করবে। মুখ বুঝে সব সহ্য করবে তাই তো গীতার বাবা। তাকে গুন্ডারা মেরে মাটিতে বেল্টা লাগিয়ে ফেলে যায়। এসব বড় বড় লোকদের বস্তির মানুষেরা ভোট দিয়ে জয়ী করে তাদের উপরে তুলে দিলে তখন গলায় চাপ দিয়ে খেতে চায়। গীতা আসে এবং তার বাবার এই অবস্থা দেখে মাথায় আগুন ধরে যায়। কি হতে চলেছে জানতে হলে সাথেই থাকুন।