Tentulpataa serial writing see new update on 23 November

JR
By -
0

Tentulpataa serial writing see new update on 23 November 

তেঁতুল পাতা সিরিয়ালের আজকের ঝমকালো এপিসোড পড়ুন। 

খেয়ালির কবল থেকে কি করে বাঁচাবে নিজেকে ঝিল্লি? 



জনপ্রিয় ধারাবাহিক তেঁতুল পাতা সবার মন জয় করে নিয়েছে। হাসি, কান্না, গল্প, ইত্যাদি বিষয়ে নিয়েই ধারাবাহিকটি গঠিত। মা হারা মেয়ের পথ চলার গল্প। হঠাৎ করে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর একটা মেয়ের জীবনে ঠিক কি কি ঘটতে পারে।আসে পাশের মানুষ পাশে না থাকলে জীবন কতোটা কষ্টময় তা এখানে দেখানো হয়েছে। ঝিল্লির পথ চলা এখানে এতোটা সহজ নয়।

 তার ওপর এসেছে খেয়ালী,  রানা বিয়ে করে খেয়ালীকে নিয়ে এসেছে এই বাড়িতে ঝিল্লিকে জব্দ করতে। আর বাড়ির বাচ্চাদের বডিং এ পাঠানোর জন্য। সকালবেলা ঝিল্লি বাচ্চাদের চিরতার জল খাওয়াচ্ছিল,  বাচ্চিচাডা খাচ্ছিল না বল জুসের সাথে একটু তাল মিছরি দিয়ে খাওয়াচ্ছিল, সেটা কংশ মামা দেখে ফেলে আর বাচ্চাদের বকাবকি করতে থাকে সাথে ঝিল্লি কেউ। বাড়ির সকলে এক এক করে চা শরবত ইত্যাদি চচ্ছিল ঝিল্লির কাছে।এর মধ্যে খেয়ালী চিৎকার করে উঠে জুস বলে ।  তার নাকি জুস খেতে হবে।

 বিভিন্ন রকমের জোস সে খেতে চাই যে, কিন্তু সব জিনিস কি এই সিজনে পাওয়া যায় । তাই ঝিল্লিয়ে কমলার জোস  দেয় খেয়ালী কে। খেতে  ভালো হওয়া সত্ত্বেও খেয়ালী সেটা ফেলে দেয়। ঝিল্লিকে আবার নতুন করে জোস বানিয়ে আনতে বলা হয় কিন্তু সে আবার কমলার জুসের সাথে চিরতা মিশিয়ে দেয় । এরপর খেয়ালী সেটাও ফেলে দেয়। বাড়ির সবাই জানতে চাইলে সে বলে আমরা সবাই তো চিরতার জল খাই সে কেন খেতে পারবে না। খেয়ালীর বাবা আসে মেয়েকে জিনিস পত্র দিতে,কিন্তু তেতুল পাতার কেউ সেসব জিনিস নেবে না। তাই তো ঋষি এসব ফেরত নিয়ে যেতে বলে। মেয়ের বাবার বাড়ি থেকে এই বাড়িতে আর কোন জিনিস আসবে না, তাই তো সব  জিনিস নিয়ে চলে যেতে বলে ভাইয়াজী কে। কিন্তু ঝিল্লিকে আবারো অপমান করে ভাইয়াজী, তার তো কেউ নেই তার বাবাই তো থেকেও নেই ইত্যাদি কথা বলে ঝিল্লিকে কষ্ট দিতে থাকে।কিন্তু বাড়ির সকলে এসে ঝিল্লির পাশে দারায় সবাই।


ঝিল্লির ওপর চক্রান্ত খেয়ালির!  



দোকানে খাবার নিয়ে যায় ঝিল্লি,রাস্তায় যেতে কংশ মামাকে বকতে থাকে।এনন সময় গাড়ির হর্ন বাজাতে বাজাতে আসে কংস মামা,ঝিল্লিকে নিয়ে দোকানে যায়।এমন সময় জেঠু মনির বড় একটা অর্ডার আসে। ঝিল্লি দোকানে আসায় এতো বড় একটা অর্ডার পেলো তারা আবেগে আপ্লুত হয়ে যায় সবাই। রানার রিসিপশনের জন্য মমোর জন্য একটা ঘাগরা নিয়ে আসে ঝিল্লি সেটা দেখে খেয়ালী হিংসে করতে থাকে।ঝিল্লিট বিরুদ্ধে চাল দিতে থাকে। দেখা যায় দোকানে কাপর কাটার পোকা রেখে দেয় সে।আর দোষ চাপায় ঝিল্লির নামে। আর বাচ্চাটার সাথে জীদ করে মমোর ঘাগরাটা কেটে ফেলে খেয়ালি।কিছু বড় মানুষ আছে যারা নিজেদের ছেলে মানুষি বাচ্চাদের মতো করে এবং বাচ্চাদের মন বিষিয়ে দেয়। ঝিল্লির ওপর রাগ দেখিয়ে মমোর আনন্দ মাটি করে দেয় খেয়াল। 


বাড়িতে রিসিপশনের আয়োজন!  

 



খেয়ালির রিসিপশনের জন্য বাড়িতে সবার তোরজোর শুরু হয়। সকল লোক জন এসে কাজে লেগে পরে। ঝিল্লি সকাল বেলা সবাইকে করে দেয় তখনি জেঠু এসে তার মাকে বলে,মা জানো আজ ঝিল্লির আমাদের দোকানে যাওয়ার ওর আমরা একটা বড় অর্ডার পাই। যেটা আর কখনো আমরা পাই নি। এটা ঝিল্লির জন্যই হয়েছে।বাড়ির সকলে এটা নিয়ে আনন্দ করতে থাকে।কিন্তু খেয়ালি উপর থেকে এসব দেখতে থাকে আর হিংসায় জ্বলে যায়। আর রেগে টাউয়েল পরেই সকলের সামনে এসে পরে, এদিকে কতো লোকজন আর বাড়ির লোকেরা আছে সেসব তোয়াক্কা না করে ওমনি নিচে আসে। ঠাম্মির ধমক শুনে আবারো উপরে চলে যায়।আমরা কিছু মানুষ আমাদের আসে পাশে দেখতে পাই যে। তাদের নিজেদের কোন বোধ বুদ্ধি নেই। ভালো মন্দ বিচার না করেই কিভাবে অন্যের দোষ বা অন্যের ভুল ধরতে হয় সেসব নিয়ে ভাবাই তাদের কাজ। নিজেদের তো বুদ্ধি নেই তার ওপর গোবর মার্কা কুবুদ্ধি দিয়ে ভরা এদের মাথায়। কোন কাজের না সব অকাজের।এরা কখনো নিজের বুদ্ধিতে চলে অন্যের বুদ্ধিতে নাচতে থাকে অবশেষে ভুল পথই বেছে নেয়। এদিকে খেয়ালির দুষ্ট চক্রে পরে যাচ্ছে ঝিল্লি সে কোন ভুল না করেও সব সময় দোষী হয়।  আগে তো তাকে তার শাশুড়ী মানছিলই না, তার ওপর খেয়ালি এসেছে ঝিল্লিকে হারাতে। একের পর এক ঝামেলা করতে। ঝিল্লির সাথে ঝামেলা করতে তেতুলপাতার কতো বড় ক্ষতি করে ফেলছে সে নিজেও জানে না।অন্যের ক্ষতি করতে গিয়ে মানুষ তার হিতাহীত জ্ঞান ভুলে যায়। কখন কার ক্ষতি করে বসে তার কোন দিসা নাই।

খেয়ালি তো টাউয়েল পরে সবার সামনে চলেই এসেছে তার উপর তাকে ওপরে যেতে বলার পরও সে যাচ্ছে না দেখে এতো বড় একটা কার্টন তুলে দেয় খেয়ালির ওপট তার পর তাকে ভয় দেখিয়ে যেখান থেকে নিয়ে যায়।


ঝিল্লিকে দিয়ে পেটিকিউ করায় খেয়ালি! 




ঝিল্লির উপর খেয়ালিকে সাজানোর সব দায়িত্ব এসে পরে।তাকে ফেসপ্যাক লাগানো থেকে শুরু করে মেকাপ পর্যন্ত করার জন্য বলা হয় বাড়ির এতো কাজের মাঝে তাকে  এতো সব কাজ দিয়ে ঝিল্লিকে কপোকাত করতে চায় খেয়ালি। এমন সময় মমোর কান্নার আওয়াজ পায় ঝিল্লি। গিয়ে দেখে মমো কানৃনা করছ।  কারন হিসেবে জানতে পারে মমোর ঘাগরা কেটে গেছে। তাই তো সে কাদছে কিন্তু কাটবে কে। ঝিল্লি চিন্তা করতে করতেই বুঝতে পারে এটা খেয়ালির কাজ তাই তো খেয়ালিকে শাস্তি দিতে আবারো ঝিল্লি করে নতুন বুদ্ধি। 

নিচে সবাই মিলে সুন্দর করে সেজে রানাদার রিসিপশনের মজা করছিল। এমন সময় ভাইয়াহর ওর তার বউ এসপ হাজির খেয়ালিকে দেখতে চায়,কিন্তু খেয়ালি ঝিল্লি এসপ না গিয়ে যাবে না আর একটা উরনা দিয়ে মুখ ঢেকে এসেছে। ঝিল্লি তো বারন করেছে মুখ খুলে আসতে তাই তো সে মুখ ঢেকে এসেছে।ঝিল্লি গিয়ে খেয়ালিকে নিয়ে আসে। এর পর খেয়ালিকে বলে বড় তোমার জন্য আমি গিফট নিয়ে এসেছি আর গিফট হলো আমাদের মিষ্টি। 


মিষ্টিকে পরী সাজালো ঝিল্লি!  



মিষ্টিকে একদম পরীর মতো সাজিয়ে এনেছে ঝিল্লি। ঋষি দেখে তার বোনের কথা মনে করছে,ছোট বেলায় একদম তার বোন এমন ছিল। তাই তো ইমোশনাল হয়ে গেলো ঋষি ও তার মা মেয়েকে তারা ভীষণ মিস করছে। ঋষিও ছোট বেলা তার বোনকে পরীর মতো সাজিয়ে দিয়েছিল। বোনের অভাবটা বাচ্চাদের মাঝে পূর্ণ করছে ঝিল্লি।সে চার যতো কষ্ট তার উপর আসুক বাচ্চাদের ওপর যেন না আসে।বাচ্চাদের খুশির জন্য সে সব কিছু করতে পারে।সকল কষ্ট নিজে সহ্য করে সে সবটা সামলে নিতে চায়। বাচ্চাদের কষ্ট সে দিতে চায় না। মিষ্টিকে মিষ্টি পরীর মতো সাজিয়ে নিয়ে আসে সবার সামনে।  কিন্তু ঋষির এটা সন্দেহ লাগে মিষ্টিকে সারপ্রাইজ করেছে তাও আবার খেয়ালির জন্য। খেয়ালি যখন শুনে মিষ্টিকে পরীর মতো লাগছে তাই সে চিৎকার করে উঠে এটা কখনো সম্ভব নয়।  কিন্তু যখনি খেয়ালি ঘোমটা সরায় তখনি তাকে দেখে সবাই হাসতে থাকে ঠাট্টা করতে থাকে। খেয়ালি সেটা বুঝতে পারে সে তার মতো করে বলে যাচ্ছিল।রানার মা যখন দেখে তখন আয়না নিয়ে  এসে খেয়ালির সামনে ধরে খেয়ালি তো রেগে আগুন। রানা এসে ঝিল্লিকে বকতে থাকে।

ঋষি জানতে চাইলে ঝিল্লি বলে আমাকে নিয়ে বড় হা কিছু করলেও আমি কিছু বলতাম না কিন্তু মিষ্টিকে নিয়ে ও মজা করেছে। মিষ্টির ঘাগরা নষ্ট করেছে। তখন ঝিল্লি একের পর প্রমান দিলো খেয়ালিই এই ঘাগরাটা নষ্ট করেছে। এই জন্য খেয়ালিকে সে  গোফ এটে দিয়েছে। 

কারন একটা মা হারা মেয়ের ইমশোন নিয়ে খেললে কেমন লাগে সেটা ঝিল্লি ছাড়া কেউ জানে না। মা ছাড়া বড় হয়েছে সে, তাই সে জানে কিভাবে একা বড় হওয়া যায় কতো কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়। 

Post a Comment

0Comments

Post a Comment (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn more
Ok, Go it!